রাইনিঅগনাথা
রাইনিঅগনাথা হিরস্টি (ইংরেজি: Rhyniognatha hirsti) হল পৃথিবীর এখন পর্যন্ত জানা সবচাইতে পুরোনো কীট। পৃথিবীর প্রথম স্থলজ বাস্তুসংস্থানগুলো যখন গঠিত হচ্ছিল, সেই সময়ে, প্রায় ৪০০ মিলিয়ন বছর পূর্বে ডেভোনিয়ান পিরিয়ডের বা যুগের প্রথমভাগে এটি আবির্ভূত হয়েছিল।
রাইনিঅগনাথা সময়গত পরিসীমা: ৪০–০কোটি ডেভোনিয়ান - বর্তমান | |
---|---|
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস | |
ক্ষেত্র: | Eukaryota |
জগৎ: | Animalia |
পর্ব: | Arthropoda |
শ্রেণী: | কীট |
গণ: | †Rhyniognatha টিলইয়ার্ড, ১৯২৮ |
প্রজাতি: | †R. hirsti |
দ্বিপদী নাম | |
†Rhyniognatha hirsti টিলইয়ার্ড, ১৯২৮ | |
প্রতিশব্দ | |
Rhyniella praecursor (partim) |
প্রমাণ
সম্পাদনারাইন চার্টের একটি ভাগে সংরক্ষিত নমুনার মস্তকের অংশটি ১৯১৯ সালে শ্রদ্ধাভাজন ডব্লিউ. ক্রেন সংগ্রহ করেন এবং এস. হির্স্ট, এস. মলিক এবং ডি. জে. স্কউরফিল্ডের কাছে হস্তান্তর করেন। হির্স্ট এবং মলিক ১৯২৬ সালে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। প্রতিবেদনে তারা Rhyniella praecursor এর বর্ণনা দেন যা স্প্রিংটেইল বলে পরিচিত। রাইনিঅগনাথার মস্তকসহ আরোও কয়েকটি খন্ডকেও তারা R. praecursor বলে বর্ণনা করেন এবং এই নমুনাকে “অনুমিত শূককীট” বলে বিবৃতি দেন। ১৯২৮ সালে কীটতত্ত্ববিদ রবিন জে. টিলইয়ার্ড নমুনাটিকে একটি ভিন্ন প্রজাতি বলে সঠিকভাবে সনাক্ত করেন এবং Rhyniognatha hirsti হিসেবে পুনরায় নামকরণ করেন। পরবর্তীতে ডি. জে. স্কউরফিল্ড এটিকে লন্ডনের ন্যাচারাল হিস্টরি মিউজিয়ামে দান করে দেন। বর্তমানে এটি সেখানে অণুবীক্ষণ স্লাইডে প্রদর্শন করা হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা এই নমুনা থেকে তেমন কোনো তথ্য পাননি, তবে চোয়ালের গঠন দেখে তারা মনে করে এটি সম্ভবত পাখাওয়ালা ছিল।
প্রাসঙ্গিক চিত্রঃ এবার্ডিন বিশ্ববিদ্যালয়
খাদ্য
সম্পাদনাসে সময়কার অন্যান্য কীটের মতো রাইনিঅগনাথাও সম্ভবত উদ্ভিদের স্পোরোফিল খেয়ে জীবন ধারণ করতো। কীটের অঙ্গসংস্থানবিদ্যা এর খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে কিছু সূত্র দিয়ে থাকতে পারে। এটির ছিল বৃহৎ চোয়াল বা ম্যান্ডিবল যা শিকারের জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকতে পারে আবার না-ও পারে।
পাখনা
সম্পাদনাএঞ্জেল এবং গ্রিমাল্ডি (২০০৪) দেখান যে পাখাওয়ালা পতঙ্গের অনেক বৈশিষ্ট্য নিয়ে R. hirsti প্রথমদিককার কীট হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল। এর মানে হতে পারে এই- R. hirsti ইতোপূর্বেই পাখনা ধারণ করতো।[১]
পাদটীকা
সম্পাদনা- ↑ এঞ্জেল ও গ্রিমাল্ডি (২০০৪)ঃ সারসংক্ষেপ
তথ্যসূত্র
সম্পাদনা- ড. এন্ড্রু রস, The oldest fossil insect in the world
- মাইকেল এস. এঞ্জেল ও ডেভিড এ. গ্রিমাল্ডি (২০০৪)। "New light shed on the oldest insect"। নেচার। ৪২৭ (৬৯৭৫): ৬২৭–৬৩০। ডিওআই:10.1038/nature02291। পিএমআইডি ১৪৯৬১১১৯
|pmid=
এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)।
বহিঃসংযোগ
সম্পাদনা- বিবিসি সংবাদ,"Oldest insect delights experts"
- এবার্ডিন বিশ্ববিদ্যালয়; নমুনার চিত্র