কার্তিকপুর জমিদার বাড়ি
কার্তিকপুর জমিদার বাড়ি বাংলাদেশ এর শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার কার্তিকপুর গ্রামে অবস্থিত এক ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি। যা স্থানীয়দের কাছে চৌধুরী বাড়ি নামে পরিচিত।[১]
কার্তিকপুর জমিদার বাড়ি | |
---|---|
বিকল্প নাম | চৌধুরী বাড়ি |
সাধারণ তথ্যাবলী | |
ধরন | বাসস্থান |
অবস্থান | নড়িয়া উপজেলা |
ঠিকানা | কার্তিকপুর |
শহর | নড়িয়া উপজেলা, শরীয়তপুর জেলা |
দেশ | বাংলাদেশ |
উন্মুক্ত হয়েছে | ১৬০০ |
স্বত্বাধিকারী | কমলশরন ও শেখ কালু |
কারিগরি বিবরণ | |
উপাদান | ইট, সুরকি ও রড |
তলার সংখ্যা | দ্বিতল |
ইতিহাস
সম্পাদনাকার্তিকপুরের জমিদারী আগে বিক্রমপুরের জমিদারীর আওতাভুক্ত ছিল। বিক্রমপুরের জমিদারীর পাঁচজন সেনাপতি ছিল। যাদের মাঝে পরবর্তীতে বিক্রমপুরের জমিদারীকে তিন ভাগ করে দিয়ে দেন বিক্রমপুরের জমিদার। যার ফলস্বরূপ কার্তিকপুরের জমিদারী পান কমলশরন ও শেখ কালু। পরবর্তীতে শেখ কালুর মেয়ের সাথে মোঘল সাম্রাজ্যের এক সেনাপতি ফতেহ মুহাম্মদের বিবাহ হয়। মূলত ঐখান থেকে উক্ত জমিদার বংশের সূচনা হয়। এই জমিদার বংশধরদের সাথে আত্মীয়তার বন্ধনে আবদ্ধ হন হযরত শাহ বন্দে আলী (র.), ঢাকার নবাব খাজা আহসান উল্লাহ, খাজা সলিমুল্লাহ, করটিয়ার জমিদার ওয়াজেদ আলী খান পন্নী, বগুড়ার নবাব আলতাব আলী ও ফরায়েজী আন্দোলনের নেতা হাজী শরীয়তুল্লাহ'র বংশধরদের সাথে।
অবকাঠামো
সম্পাদনাজমিদার বাড়িটিতে সুন্দর ও কারুকার্যময় একটি দ্বিতল বিশিষ্ট্য ভবন রয়েছে। এছাড়াও সাঁন বাঁধানো একটি পুকুর রয়েছে।
বর্তমান অবস্থা
সম্পাদনাজমিদার বংশধররা এখনো এখানে বসবাস করতেছেন। এছাড়াও জমিদার বংশের অনেকেই এখন ঢাকা বা অন্যান্য জায়গা বসবাস করতেছেন। বাড়িটিতে বসবাসরত অবস্থায় থাকলেও ভবনের দেয়ালের অবস্থা বেশ জীর্ণশীর্ণ।
তথ্যসূত্র
সম্পাদনা- ↑ "জেলার দর্শনীয় স্থানসমূহ"। Superintendent of police, Shariatpur। ১ আগস্ট ২০১৮। ২০ আগস্ট ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ আগস্ট ২০১৯।
এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |